ঝড়ো হাওয়া বয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা না থাকায় দেশের চার সমুদ্রবন্দর থেকে সতর্ক সংকেত নামিয়ে ফেলতে বলেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
শনিবার (১১ জুলাই) সর্বশেষ আবহাওয়া পরিস্থিতি নিয়ে এক বার্তায় রাষ্ট্রীয় সংস্থাটি জানিয়েছে, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে সংকেত নামিয়ে ফেলতে বলা হয়েছে।
তবে উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারগুলোকে আজ সন্ধ্যা পর্যন্ত সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে।
সমুদ্রবন্দর থেকে সতর্কতা সংকেত নামলেও দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
এ বিষয়ে সহকারী আবহাওয়াবিদ কাজী জেবুন্নেছার সই করা পৃথক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, আজ সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত রংপুর, দিনাজপুর, রাজশাহী, পাবনা, বগুড়া, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, ঢাকা, ফরিদপুর, যশোর, কুষ্টিয়া, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার এবং সিলেট অঞ্চলের ওপর দিয়ে দক্ষিণ অথবা দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। এসব এলাকার নদীবন্দর সমূহকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
এদিকে, লঘুচাপের প্রভাবে দেশের পাঁচটি বিভাগে ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণের পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
আবহাওয়াবিদ এ কে এম নাজমুল হক স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সক্রিয় মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে আগামীকাল (রবিবার) দুপুর ১২টা পর্যন্ত রংপুর, ময়মনসিংহ, ঢাকা, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণ হতে পারে।
আবহাওয়ার নিয়মিত বুলেটিনে দেখা গেছে, বৃষ্টিপাতের এই প্রবণতা আগামী চার দিন অব্যাহত থেকে তার পর থেকে ধীরে ধীরে কমে আসতে পারে।
আজ সকাল ৬টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় দেশে সবচেয়ে বেশি ১৪৭ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে চুয়াডাঙ্গা জেলায়। এই সময়ে সর্বোচ্চ ৩৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা ছিল রংপুরে এবং সর্বনিম্ন ২৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা ছিল কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলায়।